মেন্ডেলের চারিত্রিক বংশগতিবিদ্যা — মুশফিক বরাত

মেন্ডেলের চারিত্রিক বংশগতিবিদ্যা — মুশফিক বরাত

দীর্ঘ আট বছরের গবেষণার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে গ্রেগর জোহান মেন্ডেল দুটি সূত্র প্রদান করেন।তিনি গবেষণা করেছিলেন মটরশুটি উদ্ভিদ নিয়ে।আঙুর গাছে যেমন আপেল ফলেনা, তেমনি আম গাছে জাম ফলতে পারে না।দীর্ঘকায় পিতামাতার ঘরে দীর্ঘকায় সন্তানই হয়।মেন্ডেলের তত্ত্বগুলো শুধুমাত্র উদ্ভিদ নয়, জীবজন্তুর বেলাতেও প্রযোজ্য।তিনি মটরশুটির সাতটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন।এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি হলো-বীজের আকৃতি(গোলাকার অথবা কুচকানো),অপক্ক ফলের রঙ(সবুজ অথবা হলুদ)।মেন্ডেলের মৃত্যুর 15 বছর পর অর্থাৎ 1900 সালে তিনজন বিজ্ঞানী তার মতোই বংশগতিবিদ্যার ফলাফল প্রকাশ করেন।তারা হলেন- হুগো ডি ভ্রিস, এরিখ চেরমাক ও কার্ল করেন্স।মটরশুটির পর তিনি মৌমাছি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।আর মৌমাছির একটি হাইব্রিড জাত উদ্ভাবন করেন।এর পাশাপাশি তিনি কিছু নতুন উদ্ভিদ প্রজাতির বর্ণনা দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *